,

বহলবাড়ীয়ায় রাসেলের হাতেই নিরাপদ নৌকা

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ২নং বহলবাড়ীয়ায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলের হাতেই নৌকা নিরাপদ।  তূণমুল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বলছে,এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হিসেবে অন্য কাউকে নয়, এবার ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলকেই দেখতে চান তারা।

ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা আরও এগিয়ে নিতে ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলের বিকল্প নেই। বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নবাসীর আ.লীগের নেতা প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেল। তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত। বর্তমানে বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য ও এভারগ্রীণ পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক।

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিতিও রয়েছে তার। তূণমুল আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন,এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাসেলের বিকল্প নেই। তাই মনোনয়ন প্রত্যাশী সবার থেকে এগিয়ে আছেন প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেল।

অন্যদিকে এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের একমাত্র আশ্রয় স্থান এখন তিনি। কারণ আওয়ামী পরিবারের ভালোমন্দ তিনিই দেখভাল করেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাকর্মীদের দিক নির্দেশনায় স্থানীয় আ.লীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সময় ঘটে যাওয়া অর্ন্তদ্বন্দ দুর করার ক্ষেত্রেও রাসেলের ভূমিকা অন্যতম।

সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয় নেতা এখন রাসেল। আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা এবারের নির্বাচনে ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলকেই ভাবছেন তারা।

দলীয় নেতাকর্মীসহ এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ছাত্র জীবন থেকেই প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেল রাজনীতি’র সঙ্গে যুক্ত। বহলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে কিশোরলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯৭ সালে বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

১৯৯৯ সালে বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তারপর আর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে পিছুন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মিরপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনীতিক সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট শাখার আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। রাজনৈতিক অঙ্গনে সাফল্য’র সাথে কাজ করায় এলাকার মানুষের আস্থাভাজন হন রাসেল।

ইউনিয়নের গন্ডি পেরিয়ে নজর কারে জেলাবাসীর। বহলবাড়ীয়াকে মডেল ইউনিয়ন গড়তে তাই এবার লড়বেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচনে।

২ নং বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মেহেদী বলেন, এলাকার মানুষের সুখে দুখের কথা জানতে ছুটে বেড়ান রাসেল। এ রীতি পুরনো তাদের পরিবার থেকে। প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলের দাদা ও চাচা এই ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে সাফল্য’র সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই এবার আমরা অন্য কাউকে নয়, এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হিসেবে রাসেলকেই দেখতে চাই।

শুধু তাই নয় সরকারের উন্নয়ন বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার কাজটিও ইউনিয়ন এলাকায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করে চলেছেন তিনি। এমন লোককে ভোট দিলে পথ হারাবে না এই ইউনিয়নবাসী।

ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা ৮নং ওয়ার্ডের শরিফ বলেন,নৌকা পেলে রাসেল বিপুল ভোটে জয়ী হবে, তাই এবারের নির্বাচনে রাসেলের হাতেই নৌকা নিরাপদ। এমন লোক নৌকার মনোনয়ন পেলে তাকেই ভোট দিব।

এ বিষয়ে প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ খান রাসেলের কাছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন কি প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি ও জননেত্রী শেখ হাসিনা নেত্রীর আশীর্বাদে আমি অত্যন্ত আশাবাদী নৌকা প্রতীক পাবো।

উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাকর্মীদের দিক নির্দেশনায় নিজের প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন এলাকায় উঠান বৈঠক করে তূণমুল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

সাথে সাথে মাহবুবউল আলম হানিফ সাহেবের কুষ্টিয়া জেলাকে আধুনিক কুষ্টিয়া গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা থাকবে আমার। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমি বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার কাজটি করবো।

এখানে কারও কোনো দুঃখ থাকবে না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো।


     More News Of This Category