,

‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থী আনুশকার দাফন নিজগ্রামে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ রাজধানীর কলাবাগানে ধর্ষনের পর হত্যার মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন (১৭)কে কুষ্টিয়ার পরিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শনিবার সকালে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার কমলাপুরের গোপালপুর তার নিজগ্রামের কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়। কলাবাগানে বন্ধুর বাসায় গিয়ে বিকৃত যৌনাচারে নিহত হন স্কুলছাত্রী আনুশকা নুর আমিন।

রাত ১টার দিকে আনুশকার মরদেহ ঢাকা থেকে নিজগ্রামে আসে। ভোর থেকেই শত শত মানুষ তাকে শেষবার দেখতে ভীড় করেন। নিকটজন আত্মীয় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। বার বার মুর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা আল-আমিন আহম্মেদ। সকালে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

নামাজে জানাজাতেই অংশ নিয়ে মানুষ এই হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। দাফন শেষে তাৎক্ষনিকভাবে হত্যাকারীর দ্রুত দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি ফাসিঁর দাবীতে মানববন্ধন করেন তারা। কমলাপুর বাজারে সড়কের দুই পাশে দাড়িয়ে শত শত মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে স্কুলছাত্রীর বাবা আল-আমিন আহম্মেদ,ছোটভাই নিভানসহ আত্মীয় স্বজনরাও অংশ নেন।

এ মামলার ও সুরোতহাল রিপোর্টে আনুশকার বয়স দুই বছর বাড়ানো হয়েছে দাবী করে মানববন্ধনে এর প্রতিবাদও জানান তারা।
এদিকে ওই শিক্ষার্থী(১৭)কে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার একমাত্র আসামি তানভীর ইফতেফার দিহান (১৮) আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে সে। শুক্রবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) রাতেই ওই স্কুলছাত্রী (১৭) কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন।

উল্লেখ্য,আনুশকা তার তিন ভাইবোন ও বাবা মা ধানমন্ডিতে থাকেন। আনুশকা মাষ্টার মাইন্ড স্কুলে ও লেভেল পড়তেন। ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২ টার দিকে আনুশকাকে প্রেমে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে কৌশলে বাসায় নিয়ে যায় তার বন্ধু তানভীর ইফতেফার দিহান। সেখানে বিকৃত যৌনাচারে তার রক্ষ ক্ষরন হলে হাসপাতালে নেয় দিহান। হাসপাতালেই আনুশকার মৃত্যু হয়।

 


     More News Of This Category