,

মালয়েশিয়ার ৬৩তম স্বাধীনতা দিবস

রাত পোহালেই মালয়েশিয়ার ৬৩তম স্বাধীনতা দিবস। ‘মালয়েশিয়া পিরিহাতিন’ (মালয়েশিয়া যত্নশীল)। স্বাধীনতা দিবসের এই শ্লোগানের মধ্যদিয়ে নানা আয়োজনে মালয়েশিয়া উদযাপন করতে যাচ্ছে তাদের ৬৩ তম স্বাধীনতা দিবস। মালয়েশিয়ান ভাষায় যেটাকে বলা হয় ‘হারি মারদেকা।

 

মালয়েশিয়ার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম গৌরব ও অহংকারের দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে নিজস্ব ভূখন্ড নিয়ে মালয় জাতির আত্মপ্রকাশ ঘটে এই দিনে। ১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট ব্রিটিশদের কাছ থেকে রক্তপাতহীন প্রক্রিয়ায় স্বাধীনতা অর্জন করে দেশটি।

 

প্রতি বছর দিবসটি উদযাপনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনসাধারণের মাঝেও দেখা যায় ব্যাপক প্রস্তুতি। রাজধানী কুয়ালালামপুর শহরসহ রাজ্যে রাজ্যে ছেয়ে গেছে জাতীয় পতাকা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দিয়েছে নানা অফার। করোনা মহামারির প্রভাবে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হলেও এ দিবসের উৎসবের কোনো কমতি নাই।

 

মালয়েশিয়ার এই জাতীয় অনুষ্ঠানটি ওরা দলমত নির্বিশেষে নারীপুরুষ ছোট-বড় সবাই একসঙ্গে সেলিব্রেট করে। কুয়ালালামপুরে ‘দাতারান মারদেকায়’ (স্বাধীনতা স্কয়ার) ও এর আশপাশে বিশাল জমায়েত হয় থার্টিফার্স্ট অগাস্ট রাতে। ত্রিশ অগাস্ট বিকেল থেকে শুরু করে মধ্যরাত বারটায় মূল অনুষ্ঠান উপভোগ করে বাড়ি ফেরেন তারা।

 

হাজার হাজার মানুষের সমাগম হলেও থাকে না কোনো বিশৃঙ্খলা। আছে শুধু সম্প্রিতি, দেশের প্রতি ভালোবাসা, অন্যের প্রতি সম্মান, দেশের রাজার প্রতি সম্মান, দেশের পতাকার প্রতি সম্মান। সবার মুখেমুখে থাকে দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে সঙ্গে সুর। মালয়েশিয়ানদের ভিড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষও আছেন, উপভোগ করেন মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান।


     More News Of This Category